খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

গাজার ৭০ শতাংশ দখলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর, চুক্তি লঙ্ঘন ও মানবিক সংকটের উদ্বেগ

Super Admin
প্রকাশিত: ৩ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজার ৭০ শতাংশ দখলের নির্দেশ নেতানিয়াহুর, চুক্তি লঙ্ঘন ও মানবিক সংকটের উদ্বেগ

ইসরায়েলের উগ্রপন্থী ইহুদিবাদী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশটির সামরিক বাহিনীকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ৭০ শতাংশ এলাকা দখলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার অধিকৃত পশ্চিম তীরে এক সম্মেলনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এই ঘোষণা দেন।

নেতানিয়াহু জানান, ইসরায়েল হামাসের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করছে। তিনি বলেন, “গাজার ৬০ শতাংশ এলাকা এখন আমাদের হাতে। আগে আমরা ৫০ শতাংশ এলাকায় ছিলাম, সেখান থেকে আমরা ৬০ শতাংশে পৌঁছেছি।” কট্টরপন্থী এই প্রধানমন্ত্রী আরও যোগ করেন, “আমার নির্দেশ হলো ধাপে ধাপে এগোনো। প্রথমেই ৭০ শতাংশে যেতে হবে। আপাতত এ লক্ষ্য নিয়েই আমরা শুরু করি।” এ সময় উপস্থিত উগ্রপন্থী ইহুদি দর্শকরা পুরো গাজা দখলের দাবি জানান।

গত এপ্রিলের শেষের দিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোকে কিছু মানচিত্র সরবরাহ করে, যেখানে দেখা যায় গাজার প্রায় ৬৪ শতাংশ এলাকা আগেই ইসরায়েলি সেনাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। গাজার আরও এলাকা ইসরায়েলের দখলে গেলে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি চরম বিপাকে পড়বেন, যারা বর্তমানে উপকূলীয় উপত্যকার সামান্য ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকায় গাদাগাদি করে বসবাস করছেন।

২০২৫ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল, যার ফলে ইসরায়েলি সেনারা ‘ইয়োলো লাইন’ (হলুদ রেখা) নামক একটি সীমানায় পিছিয়ে গিয়েছিল। এর ফলে গাজার প্রায় ৫৩ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে থাকে। গত মঙ্গলবার হামাস ইসরায়েলকে এই সীমানা সরিয়ে নেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করে বলেছে যে, এর মাধ্যমে ইসরায়েল প্রকাশ্যেই যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করছে এবং জোরপূর্বক নতুন পরিস্থিতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। হামাসের মতে, ইসরায়েলের লক্ষ্য হলো গাজার ওপর নিজেদের সামরিক নিয়ন্ত্রণ পাকাপোক্ত করা, যা ওই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ফেরানো ও সংঘাত কমানোর যেকোনো চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেবে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি গত অক্টোবরে কার্যকর হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে হওয়া এই চুক্তির শর্ত মেনে চলার কথা ছিল ইসরায়েল ও হামাস—উভয় পক্ষেরই। তবে বর্তমানে এর বাস্তবায়ন থমকে আছে, যা গাজা ভূখণ্ড স্থায়ীভাবে বিভক্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করেছে।

চুক্তি বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা বুলগেরিয়ার কূটনীতিক নিকোলাই ম্লাদেনভ চলতি মাসের শুরুতে সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন যে, চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি না হলে এই ‘ইয়োলো লাইন’ একসময় সীমানাপ্রাচীর বা দেয়ালে পরিণত হতে পারে, যার ফলে গাজা স্থায়ীভাবে বিভক্ত হয়ে পড়বে। ম্লাদেনভ গাজার বর্তমান বাস্তবতার কথাও স্বীকার করে বলেন, সেখানে “এখনো বেসামরিক মানুষ নিহত হচ্ছেন” এবং “ইসরায়েলি বিমান হামলার ভয়ে দিন কাটাচ্ছে পরিবারগুলো”।

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েল গাজায় বারবার হামলা চালিয়েছে। তারা অভিযোগ করে যে, হামাস নতুন করে অস্ত্র সংগ্রহ করছে এবং নিজেদের বাহিনীকে আবার সংগঠিত করছে, এর মধ্য দিয়ে হামাসই প্রথম যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। ফিলিস্তিনের জনস্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পর ইসরায়েলের এসব হামলায় গাজায় ৮৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসরায়েল হামাসের সামরিক শাখার নেতা ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদকে হত্যা করে। এর ১১ দিন পর আরেক হামলায় তাঁর উত্তরসূরিকেও হত্যা করে ইসরায়েলি বাহিনী। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে বলেন, “৭ অক্টোবরের হামলায় যাঁরা নেতৃত্ব দিয়েছেন, তাঁদের সবাইকে হত্যার শপথ নিয়েছিলাম আমরা। আর আমরা সেটাই করব। তাঁরা যেখানেই থাকুন না কেন, তাঁদের মৃত্যুদণ্ড অবধারিত।”

ম্লাদেনভ আরও বলেন, হামাসও তাদের অস্ত্র সমর্পণ বা ধ্বংস করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, অথচ গাজার ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার এই প্রধান শর্তটির ওপর। শর্ত অনুযায়ী, হামাস অস্ত্র সমর্পণ করবে এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনী গাজার বিভিন্ন অংশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, এরপর ইসরায়েলি বাহিনী গাজার দখল করা এলাকা থেকে ধীরে ধীরে সরে যাবে। বেশ কয়েকটি দেশ গাজায় নিরাপত্তা বাহিনী পাঠাতে চেয়েছে, তবে ঠিক কবে এই বাহিনী মোতায়েন করা হবে, তার কোনো সুস্পষ্ট সময়সীমা নেই। যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নেও কোনো অগ্রগতি না থাকায় এই সুযোগে গাজার আরও বেশি এলাকা ক্রমশ দখলে নিচ্ছে ইসরায়েল এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত এই ভূখণ্ডে তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও পাকাপোক্ত করছে।

advertisement
advertisement

মিরপুরে মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে ট্রেন থামা শুরু, স্বাভাবিক সড়ক যোগাযোগ

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
মিরপুরে মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে ট্রেন থামা শুরু, স্বাভাবিক সড়ক যোগাযোগ

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে পুনরায় ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে সড়কে যানবাহন চলাচলও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের কারণে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরের আগে মিরপুরের কয়েকটি এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ কিছু স্টেশনে সাময়িকভাবে ট্রেন থামানো বন্ধ রাখে।

শ্রমিকদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মিরপুর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় যাত্রীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেলের কয়েকটি স্টেশনে ট্রেনের যাত্রাবিরতি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। ফলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যাত্রীরা এসব স্টেশন থেকে মেট্রোরেলে ওঠানামা করতে পারেননি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর দুপুরের দিকে সংশ্লিষ্ট স্টেশনগুলোতে আবারও ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হয়। পাশাপাশি সড়কে যানবাহনের চলাচলও স্বাভাবিক হতে থাকে। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি অব্যাহত ছিল।

মেট্রোরেল চলাচল ও সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা, কর্মজীবী মানুষ এবং গণপরিবহনের যাত্রীরা কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন। তবে এ ধরনের পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও নিয়মিত যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সতর্ক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন, উদ্বেগে শিল্প খাত

Naim Hossan
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২:৩৫ অপরাহ্ণ
৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন, উদ্বেগে শিল্প খাত

ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে দেশের বিভিন্ন পোশাকশিল্প এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। গাজীপুর, আশুলিয়া, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ কয়েকটি এলাকায় আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব পড়েছে কয়েকটি কারখানার উৎপাদন কার্যক্রমেও।

শ্রমিকদের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য, বাসাভাড়া ও অন্যান্য জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান বেতনে সংসার পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে তাঁরা ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের পাশাপাশি নিয়মিত বেতন পরিশোধ ও কর্মক্ষেত্রে ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছেন। বর্তমানে পোশাকশ্রমিকদের নির্ধারিত সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা।

শ্রমিকদের দাবির বিষয়টি পর্যালোচনায় গত ১ নভেম্বর সরকার ছয় সদস্যের একটি নতুন ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। বুধবার বোর্ডের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এদিকে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। কারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা এবং শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো কাজ করছে। তবে শ্রমিকদের দাবি, দ্রুত মজুরি বৃদ্ধির বিষয়ে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত না এলে অসন্তোষ কমানো কঠিন হবে।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের অন্যতম প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্প। এ শিল্পে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা তৈরি হলে উৎপাদন, রপ্তানি ও কর্মসংস্থানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনা করে মালিকপক্ষ ও সরকারের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুত গ্রহণযোগ্য সমাধান এখন সময়ের দাবি।

নেপাল প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশিদের পারফরম্যান্স: ব্যাট হাতে উজ্জ্বল আরিফুল ও সাইফ

Mahir Alam
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
নেপাল প্রিমিয়ার লিগে বাংলাদেশিদের পারফরম্যান্স: ব্যাট হাতে উজ্জ্বল আরিফুল ও সাইফ

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর কীর্তিপুরে চলছে নেপাল প্রিমিয়ার লিগের (এনপিএল) জমজমাট আসর। এবারের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ১০ জন ক্রিকেটার বিভিন্ন দলের হয়ে মাঠে নেমেছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ ব্যাট হাতে দারুণ পারফরম্যান্স করছেন, কেউ বল হাতে নজর কাড়ছেন। আবার কয়েকজন এখনো নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে ফিরছেন


আইসিসির স্বীকৃতিতে নতুন মাত্রা

২০২৪ সালে যাত্রা শুরু করা নেপাল প্রিমিয়ার লিগ এবার তৃতীয় আসরে পা রেখেছে। গত ১৬ অক্টোবর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) স্বীকৃতি পাওয়ায় টুর্নামেন্টটির গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

এবারের আসরে অংশ নিচ্ছেন ডেভিড ওয়ার্নার, আন্দ্রে রাসেল, ডেভিড ম্যালান, মঈন আলী ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের মতো আন্তর্জাতিক তারকারা। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানও রয়েছেন এই তারকাবহরে। এবারের প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো যুক্ত হয়েছে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস)।


আট দল নিয়ে ৩২ ম্যাচের আয়োজন

এনপিএলের এবারের আসরে আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি শিরোপার লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছে। দলগুলো হলো বিরাটনগর কিংস, চিতওয়ান রাইনোস, জনকপুর বোল্টস, কর্নালি ইয়াকস, কাঠমান্ডু গুর্খাস, লুম্বিনি লায়ন্স, পোখারা অ্যাভেঞ্জার্স ও সুদূরপশ্চিম রয়্যালস।

লিগ পর্বে প্রতিটি দল সাতটি করে ম্যাচ খেলবে। এরপর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চার দল প্লে-অফে জায়গা পাবে। লিগ ও প্লে-অফ মিলিয়ে এবারের আসরে মোট ৩২টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সব ম্যাচ আয়োজন করা হচ্ছে কীর্তিপুরের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ডে।


বাংলাদেশিদের মধ্যে এগিয়ে আরিফুল ও সাইফ

বাংলাদেশের ১০ ক্রিকেটারের মধ্যে এখন পর্যন্ত ব্যাট হাতে সবচেয়ে ভালো করছেন আরিফুল ইসলাম। কর্নালি ইয়াকসের হয়ে তিন ম্যাচে ১১৯ রান সংগ্রহ করেছেন তিনি। তাঁর ব্যাটিং স্ট্রাইক রেট ১৮৮.৮৮, যা তাঁকে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকদের তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রেখেছে।

তালিকায় বাংলাদেশের আরেক প্রতিনিধি সাইফ হাসানও ভালো অবস্থানে রয়েছেন। জনকপুর বোল্টসের হয়ে তিন ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ১১২ রান। সর্বশেষ ম্যাচে ৭১ রানের দারুণ ইনিংস খেলে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন এই ব্যাটসম্যান।

আরিফুল ও সাইফের ধারাবাহিক ব্যাটিং বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে অন্য বাংলাদেশি ক্রিকেটাররাও নিজেদের পারফরম্যান্সে আলো ছড়াতে পারেন কি না, এখন সেটিই দেখার বিষয়।